খোঁজ করতে চান ?

পানির স্তরে ল্যাট্রিন বসানো থেকে বিরত থাকুন রোগ হতে মুক্ত থাকুন





পানি বাহিত রেগের কারেন বাংলাদেশে প্রতিবছর অনেক শিশুর মৃত্যু হয়। গ্রামীন এলাকার বেশিভাগ সৌচাগার এর কারনে মাটির নিচে থাকা পানি দুষিত হচ্ছে।সৌচাগার থেকে ৩০ ফিট এর কম দুরুত্বে অবস্তিত টিউবওয়েল এর পানিতে বেশি মাক্রোবায়াল ও প্যাথোজেন এর উপস্থতি লক্ষ্য করা যায়। পিট ল্যাট্রিনগুলির মধ্যে প্রভাবশালী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্রোটোজোয়া এবং হ্যালিমিথ রয়েছে।বাংলাদেশে কলেরা, টাইফয়েড, পাতলা পায়খানা এবং অন্যান্য ডায়রিয়ার রোগের সংক্রামক রোগগুলির কারনে, প্রতি বছর ২0,000 শিশু মৃত্যুবরন করে। টিউবওয়াল এবং ল্যাট্রিন এবং স্থানীয় ভূতাত্ত্বিক এবং হাইড্রোজিয়োলজিক্যাল অবস্থার কারনে  টিউবওয়াল এর পানি দূষিত হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।জলীয় সিস্টেমে ব্যাকটেরিয়া পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলি হল advection এবং  hydrodynamic dispersionএবং microbe decay । প্যথজেনগুলি কোন কোন বালি ও নুড়ি পাঁথরের পানির স্তরে মাত্র ৩৫ ঘণ্টায় প্রায় ৩০ মিটার দুরুত্ব অতিক্রম করে। কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া ৪২ দিন পর্যন্ত এই অবস্থায় টিকে থাকতে পারে। সুতরাং জল স্তরে ল্যাট্রিন স্থাপন থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ল্যাট্রিন থেকে টিউবওয়েল এর দুরুত্ব কমপক্ষে ৩০ ফিট হতে হবে।
সুতরাং পানির স্তরে ল্যাট্রিন বসানো থেকে বিরত থাকুন
রোগ হতে মুক্ত থাকুন ...              

কবে পাবে পথের দীশা



বাংলাদেশ এক সংকটপুর্ন্য সময় অতিবাহিত করছে। বেশি ভাগ মানুষ ই এখন হতাশা গ্রস্থ ও নিরুপায়। এক দল মানুষ বিত্ত আর বৈভবের জৌলুস ছড়াচ্ছে আরেক দল শুধুই অপ্রাপ্তির দীর্ঘস্বাস ফেলছে। কোন এক অজানা কারন তাড়া করে বেড়াচ্ছে সবাই কে। পঙ্গপালের মত করে বিত্তের মোহে আবিষ্ট হয়ে হাড়াচ্ছে নিজস্ব সমাজ, সংস্কৃতি ও বিশ্বাস। মানুষ আজ দিকভ্রান্ত ও দিশাহীন। মানুষের প্রপ্তির চেয়ে অপ্রাপ্তির তালিকা টা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ঠিক কোন কারনে মানুষের আজ এই পরিনতি? তিনটি পরস্পর বিপরীত মুখী শক্তির কারনে মানুষ আজ দিকভ্রান্ত। অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা, পুঁজিবাদী অর্থনিতী ও ইসলামিক সমাজ ব্যাবস্থা এই তিনের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মানুষ দিকভ্রান্ত। গণতন্ত্র হচ্ছে পুঁজিবাদের ধারক ও বাহক, গণতন্ত্রের মাধ্যমেই সারাবিশ্বে পুঁজিবাদ বিস্তার লাভ করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যাবস্থার অর্থনৈতিক হাতিয়ার হচ্ছে পুঁজিবাদ। বুর্জোয় শ্রেনী এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির দল সমুহের অর্থের যোগানদাতা।


ব্যাবসায়ীরা সবসময় নিজেদের প্রয়োজনে রাষ্ট্রের আইনপ্রনেতাদের ব্যাবহার করে। ব্যাবসায়ী শ্রেনীকে সুবিধা জনক অবস্থানে রেখে আইনপ্রনেতারা আইন প্রনয়ন করে ফলে সেই আইন ব্যাবস্যায় সুবিধা জনক হলেও জনগনের খুব একটা সুবিধা হয় না। পুঁজিবাদী চেতনা মানুষ কে মানুষ হিসেবে বিবেচনা না করে কঞ্জিউমার বা ভোক্তা হিসেবে গন্য করে অন্যদিকে শ্রমিকরা হচ্ছেন উৎপাদক যা এখন আধুনিক দাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভোক্তা এবং উৎপাদক এর মধ্যে উপকারভোগী হচ্চে এই ব্যাবসায়ী শ্রেণি, এরা সকল রাষ্ট্রেই সুবিধাভোগী। এই সুবিধাভোগী শ্রেণির ইশারাতে আমার আপনার ভাগ্যে পরিবর্তিত হয়। এই সুবিধাভোগী শ্রেনী তাদের প্রয়োজনে রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্ম ও সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের ব্যাবসায়িক সুবিধা অনুযায়ী সমাজ, ধর্ম ও সংস্কৃতির কাঠামো পুন্যবিন্যাস করা হয়। এই সব কাঠামো সঠিক ভাবে পুনঃবিন্যাস করার জন্য প্রয়োজন হয় শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা। বাংলাদেশে যখন কোন অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা সমাজে পুঁজিবাদী অর্থনিতি প্রচলন শুরু করেছে ঠিক তখন থেকেই সমাজে অস্থিরতা, বিসৃংখলা, মানুষের হতাশা ও অনাচারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। কারন, বাংলাদেশের বেশি ভাগ মানুষই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। ইসলাম শুধু যে একটি ধর্ম বিশ্বাস তা নয় ইসলাম হচ্ছে গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদ এর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী।


ইসলাম ধর্মের নিজেস্ব অর্থণৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যাবস্থা আছে। ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারে সবচেয়ে বড় ভুমিকা রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের বনিকরা। এই বনিকদের হাত ধরেই বিশ্বের বিভিন্নস্থানে ইসলাম ধর্ম প্রচারে সুবিধা পেয়েছিল পীর-পয়গম্বর। ব্যবসার প্রয়োজনে নতুন নতুন বাণিজ্যিক রাস্তা বের করার জন্য ভূগোলবিদ্যার প্রসার ঘটেছিল আরব রাষ্ট্রগুলিতে। এরপর জ্যোতি শাস্ত্র, গণিত, পদার্থবিদ্যা, সাহিত্য ইত্যদির জ্ঞান চর্চার বিকাশ লাভ করে। ফলশ্রুতিতে আরব বণিকদের ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকে। ব্যবসার সম্প্রসারনের সাথে সাথে ইসলামিক সংস্কৃতি ও ধর্মের বিস্তার লাভ করতে থাকে। আরব বণিক রা যেখানেই গিয়ে ছিল সেখানেই তাদের ভাষা ও ধর্মের বিস্তার ঘটিয়েছে। বাণিজ্য শুধুই যে বাণিজ্য তা কিন্তু নয় এর সাথে জড়িত আছে সংস্কৃতি ও সামজ। যে কোন বাণিজ্য ব্যাবস্থাই বাণিজ্য বিস্তারের আগে বিস্তৃতি ঘটায় সংস্কৃতির।


ইউরোপের রেনেসাঁস এর সময় কাল থেকে পুঁজিবাদ এর সূত্রপাত হয়, ঠিক সেই সময় থেকেই ইউরোপ ব্যাপক শিল্পায়ন, বিজ্ঞানের অগ্রগতি, সাহিত্য-সংস্কৃতির অগ্রগতি, মানবতাবাদ-গণতন্ত্র, সাম্য-মৈত্রী, স্বাধীনতা এইসব ঘোষণা নিয়ে পুঁিজবাদ মানবজাতির সামনে উপস্থিত হয়েছিল। খুব দ্রুতই ইউরোপিয়ান রা বাণিজ্য করার উদেশ্যে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুঁজিবাদ ও গনতন্ত্রের বানী প্রচার করতে থাকে। ইউরোপে যখন পুঁজিবাদ পুর্ন্যউদ্যমে তখন এর বিরোধীতা করে সৃষ্টি হয় সমাজতন্ত্রের। পুঁজিবাদের ঘরে জন্ম নেওয়া সমাজতন্ত্র পুঁজিবাদের চাপের ফলে খুব বেশি বিস্তার লাভ করতে পারে নি। আরবের অনেক মুসলিম দেশ পুঁজিবাদের প্রভাব থেকে নিজেদের বাচাতে আশ্রয় নিয়েছিল সমাজতন্ত্রের ছাতার নিচে আবার কেউ কেউ চলে গিয়েছিল স্বৈরতন্ত্রের দিকে, ফলে মধ্যপ্রচ্যে পুঁজিবাদের বিস্তার করা খুব সহজে হয়ে উঠেনি।



স্বাভাবিক ভাবে মুসলিমরা overconsolidated ফলে তারা অন্যের দেওয়া নিয়ম কানুন খুব সহজে গায়ে মাখতে চায় না বা মাখায় না। অন্যদিকে নিজেদের ধর্মবিশ্বাস ও হারানোর ভয়ে ভীত।ফলে মুসলিম দেশ গুলোতে পুর্ন্য-পুজিবাদ চালু করতে হলে Preconsolidation pressure এর চাইতেও বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত চাপের ফলে মুসলিম দেশ গুলো ভেঙ্গেচুরে Resettlement এ চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশে অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা, পুঁজিবাদী অর্থনিতী ও ইসলামিক সমাজ ব্যাবস্থা এই তিনের চাপের ফলে সৃষ্ট টর্কের ভিতর অবস্থান কারী জনসাধারণ চাপ সহ্য করতে না পেরে আজ দিকভ্রান্ত ও দিশাহীন।

যারা প্রতিদিন রাতে উন্নয়নের ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমাতে যান লেখাটি তাদের জন্যে।


আমি জার্মানির দক্ষিণ থেকে যত উত্তরে গিয়েছি ততই অবাক হয়েছি, একটা দেশ একই রকম গায়ের চামড়া কিন্তু বহু মত ও পথের মানুষের সমাহার এই দেশে। দক্ষিনের মানষু গুলো অতীব ব্যাস্ত থাকে এদের জীবন দৌড়ের উপর থাকে। এর পর যতই উত্তরে এগুতে থাকবেন তত কমব্যাস্ত মানুষের দেখা পাবেন। আমি যে স্টেট এ থাকি এখানে সবচেয়ে কম মানুষ থাকে এবং অর্থনৈতিক ভাবে জার্মানের দুর্বলতম রাজ্য। এই রাজ্যের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র সরকার বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো খরচ করতে চেয়েছিল।


এখানে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এখানকার সাধারণ জনগণ। কেন তারা এই উন্নয়নের বিরোধী? সরকারের ইচ্ছা ছিল ট্রেন, বাস ও গাড়ির পরিমাণ বাড়ানো, যোগাযোগ ব্যাবস্থান উন্নয়ন করা যাতে করে বেশি পর্যটক এই এলাকায় আসে। কিন্তু সাধানর জনগণ এর বিরুদ্ধে চলে যায়। কারন এখানে বেশি উন্নয়ন করলে তাদের শান্তির পরিবেশ নষ্ট হবে। তারা চায় না বেশি মানুষ এসে গ্যাঞ্জাম করুক আর এখানকার অর্থনীতি ও পরিবেশ হুমকির মুখে পরুক। এদের মধ্যে আমারিকানদের মত খাম খাম স্বভাব নেই, যা আছে তাই নিয়ে সুখী থাকতে চায়। এখানে বেশি মানুষ আসলে স্থানীয় মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাবে কেননা যারা বাইরে থেকে আসবেন তাদের টাকা খরচ করতে দ্বিধা থাকবে না ফলশ্রুতিতে তাদের নিজেদের স্বভাবিক বাজার পরিস্থিতি উলট পালট হয়ে যাবে। অন্যদিকে বেশি মানুষ আসলে স্থানীয় মানুষ আবাসন সংকটে ভুগবে, সর্বপরি পরিবেশ এর উপর ব্যাপক চাপ পড়বে। এরা শান্তি চায় কিন্তু অভিশাপের উন্নয়ন চায় না।


আমার জানামতে এখানকার বাতাস সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এখানে আসার পর আমার একবারের জন্য কাশি হয় নি, অথচ বার্লিনে ঢুকার সময় মনে হয় নিজের দম বন্ধ হয়ে গেল। মানুষের এই বিরোধীতার কারনে সরকার সেই প্রস্তাব থেকে সরে এসে মেডিক্যাল ট্যুরিজম এর উপর জোর দিয়েছে, যাতে করে অসুস্থ মানুষ এই এলাকায় এসে চিকিৎসা ও বিনোদন এবং সময় কাটানোর কাজ করতে পারে। এজন্য সরকার জার্মানির বেশিভাগ গবেষণা প্রতিষ্টান, শিক্ষা প্রতিষ্টান, ও মেডিক্যাল ইন্সটিটিউট এই এলাকায় করার প্রস্তাব করেছে। এই এলাকার মানুষ কেন বিরোধিতা করেছে এর জ্বলজ্যান্ত প্রমান ইতালির ভ্যানিস শহর, যেখানকার স্থানীয় মানুষ নিজ এলাকায় পরবাসী। পর্যটক তাড়াতে এখন তারা রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। দেশে এত উন্নয়ন হলে রাতে কোটি কোটি মানুষ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমায় কেন?


আমি সেই উন্নয়নের পক্ষে না যে উন্নয়ন মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়, যে উন্নয়ন পরিবেশ নষ্ট করে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করে, যে উন্নয়ন মানুষের জীবন কেড়ে নেয়। উন্নয়ন সবসময় আর্শিবাদ হয়ে আসে না বরং অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়।

২০২০ সাল নাগাত পৃথিবীর তাপমাত্রা কমতে থাকব, ছোট আইস-এইজ দেখা দিতে পারে।

ছবিঃ GETTY


পৃথিবীর থার্মোস্ফেয়ার ক্রমাগত তাপ হারাচ্ছে। ভু-পৃষ্ঠ থেকে ১০০-৬০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থান এই থার্মো-স্ফ্যায়ার। কেন এই তাপমাত্রার হ্রাস হচ্ছে? প্রতি ১১ বছর পর পর সুর্যের তপামাত্রার হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে। যখন সুর্যের পৃষ্টে সান স্পটের পরিমাণ বেড়ে যায় তখন তাপ মাত্রা বাড়ে আবার যখন সান-স্পটের পরিমাণ কমে যায় তখন তাপমাত্রা কমে যায়। তাপমাত্র বাড়া -বা কমার জন্য দ্বায়ী ম্যাগনেটিক ওয়েভ । ২০১৭ সালের পরে সুর্যের গায়ে কোন সান-স্পট দেখা যায় নি, তাই পৃথিবিতে আগত ম্যাগনেটিক ওয়েভ ের পরিমাণ কমে গেছে।বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন The deepest Solar Minima of the Space Age।

Thermosphere Climate Index, Mlynczak et.al.

 যদি ২০২০  এর আগে কোন সান-স্পট দেখা না যায় তাহলে পৃথিবী ছোট-আইস এজের সম্মুখীন হবে, যা  ইউরোপ- আমেরিকায় ঘটেছিল ১৬৪৫-১৭১৫ সাল পর্যন্ত। এই আইস-এজের নাম দেওয়া হয়েছিল মাউন্ডার মিনিমাম, তখন এই সব অঞ্চলের তাপমাত্রা গড়ে  ১.৩ ডিগ্রি কমে গিয়েছিল। এই সময়ে যদি ঠিক মাউন্ডার মিনিমাম এর মত হয় তাহলে পৃথিবীর তাপমাত্রা কমে যাবে, খাদ্যের উৎপাদন কমে যাবে বিদ্যুতের ব্যাবহার বেড়ে যাবে পৃথিবীর বাইরে থাকা স্যটেলাইট গুলোর জীবনকাল বেড়ে যাবে 



সুত্রঃ 


Martin G. Mlynczak, Linda A. Hunt, James M. Russell, B. Thomas Marshall, Thermosphere climate indexes: Percentile ranges and adjectival descriptors, Journal of Atmospheric and Solar-Terrestrial Physics, https://doi.org/10.1016/j.jastp.2018.04.004

Mlynczak, M. G., L. A. Hunt, B. T. Marshall, J. M. RussellIII, C. J. Mertens, R. E. Thompson, and L. L. Gordley (2015), A combined solar and geomagnetic index for thermospheric climate. Geophys. Res. Lett., 42, 3677–3682. doi: 10.1002/2015GL064038.

Mlynczak, M. G., L. A. Hunt, J. M. Russell III, B. T. Marshall, C. J. Mertens, and R. E. Thompson (2016), The global infrared energy budget of the thermosphere from 1947 to 2016 and implications for solar variability, Geophys. Res. Lett., 43, 11,934–11,940, doi: 10.1002/2016GL070965

হার্ট এট্যাক হলে কি করবেন? দেখেন ডাকেন চাপতে থাকেন.

ছবিঃ Petra Rabbit


গত শনিবার জার্মানির উনিভার্সিটি অফ গ্রাইফসবাল্ট এর ইউনিমেডিসিন ও গ্রাইফসবাল্ট  জেলা একসাথে ৫০০ মানুষ কে প্রশিক্ষণ দেয় কি ভাবে  একজন মানুষ কে কার্ডিয়াক এরেস্ট থেকে বাঁচানো যায়। এখানে যারা এসেছিল তারা তাদের সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা থেকে এসেছিল,  কোন প্রকার পুরষ্কার করার বা রেকর্ড গরার জন্য এসেছিল না। এর মুল মন্ত্র ছিল তিনটি প্রুফেন, রুফেন এবং  ড্রুকেন যার বাংলা অর্থ দাড়ায় পরীক্ষা করুন, ডাকুন এবং চাপুন। অর্থাৎ একজন মানুষ বুকে ব্যাথা অনুভব হলে সাথে সাথে কি করবেন? প্রথমে তাকে দেখুন তার কি অবস্থা তারপর ডাক্তার বা এ্যাম্বুলেন্স কে কল করুন এবং ডাক্তার না আসা পর্যন্ত রোগীর বুকে এক হাতের উপর আরেকে হাতের তালু রেকে চাপতে থাকুন। এখনে জীবন বাচানোর মন্ত্র সেখানো হয়েছে, কারন এই সব রোগীর ২-১ মিনিটেই মৃত্যু হতে পারে। শিক্ষা ছাড়াও যে মানুষের অনেক সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা  থাকে তা এই সব দেশের মানুষ কে দেখলে বোঝা যায়। আপনার বা আমার একটু সচেতনতায় বাচিয়ে দিতে পারে একজন মানুষের জীবন।
তথ্যসুত্রঃ অষ্টসি-জাইতুং 

দ্রুত উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ

পৃথিবীর দ্রুত উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম তা আমার জানা নেই কিন্তু আমাদের প্রিয় বাংলাদেশর Energy consumption বৃদ্ধির হার পৃথিবীতে ২য় স্থান দখল করেছে প্রথম স্থানে আছে কাতার। বাংলাদেশের Energy consumption এর হার ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ এই সময়ের মধ্যে ৬.৩% বেড়েছে আর কাতারের বেড়েছে ৯.৫%, আমাদের পরেই আছে সৌদিআরব, আরব আমিরাত। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সারা পৃথিবীতে এনার্জি consumption এর হার বেড়েছে ১.৮% যার মধ্যে ৪২.৬ শতাংশই বেড়েছে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে যার মধ্যে চায়না র আছে ২৩% বাংলাদেশের ৬.৩% কিন্তু কম নয়। একই সময়ে ভারতের ও পাকিস্থানের বেড়েছে যথাক্রমে ৫.৭% এবং ২.৩% , ২০০৫ সালে বাংলাদেশর তেলের হিসেবে এনার্জি ব্যাবহারে পরিমান ছিল ১৬.৯ মিলিয়ন টন এবং ভারত ও পকিস্থানের ছিল যথাক্রমে ৩৯৩.৩ ও ৬১.৭ মিলিয়ন টন অপরদিকে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও পকিস্থানের যথাক্রমে ছিল ৩২.৪, ৭২৩.৩, ৭৭.১ মিলিয়ন টন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ তেলের হিসেবে প্রতিদিন এনার্জি ব্যাবহার ছিল ১৪ হাজার ব্যারেল যা ২০১৬ সালে ছিল এক লাখ একত্রিশ হাজার ব্যারেল । অন্যদিকে ১৯৭১ সালে ভারত ও পকিস্থানের ছিল যথাক্রমে ৪ লাখ ১৬ হাজার ও ৮৭ হাজার যা ২০১৬ বেড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার ও ৪ লাখ ৩৪ হাজার ব্যারেল। ভারত ও পকিস্থানের এনার্জি ব্যাবহারের পরিমান বেশি হলেও বৃদ্ধির হার কম। অপরদিকে ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের তেল পরিশোধন ক্ষমতা বেড়েছে মাত্র ১.৮ % যা ভারত, পকিস্থানের বেড়েছে ৫.৩% ও ৩.৯% তার মানে হচ্ছে বাংলাদেশ অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত ও পাকিস্থানের চেয়ে পিছিয়ে আছে ।
বাংলাদেশ তার বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বাড়িয়েছে গ্যসের উপর যে কারনে গত দশ বছরে গ্যাস উৎপাদনের হার বেড়েছে ৬.৯% যদিও আমাদের প্রূভেন গ্যস রিজার্ভ ৭.৩ টিসিএফ অন্যদিকে ভারত ও পকিস্থানের ৪৩.৩ ও ১৬ টিসিএস গ্যস থাকা সত্ত্বেও ভারতের গ্যস উৎপাদন হার ০.১% কমেছে আর পাকিস্থানের ০.৭% বেড়েছে । ভারত ও পকিস্থানের উৎপাদন কমলেও ব্যাবহারের হার বেড়েছে যথাক্রমে ২.৫ % ও ১.১ % সুতরাং বোঝা যাচ্ছে ভারত ও পাকিস্থান গ্যাস আমদানিতে মনযোগী। গত এক দশকে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার পাকিস্থানের বেড়েছে ১৭৪ বিলিয়ন ডলার আর বাংলাদেশের বেড়েছে ১৫২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ কে দ্রুত উন্নয়ন করতে হলে বড় ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন এঁর মধ্যে রয়েছে, দ্রুত বড় ধরনের সমুদ্র বন্দর, তেল গ্যস টার্মিনাল, তেল পরিশোধন ব্যাবস্থার উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন ঘটানো।
কার্টেসিঃ ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম, ক্লে ল্যাব, বিশ্বব্যাংক।

সোলার প্যানেল ও উন্নয়ন

জাতিসংঘ থেকে প্রস্তাবিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা Sustainable Development Goals বাংলাদেশের জন্য কতটুকো টেকসই ? এই গোল এর ৭ নাম্বার এ আছে AFFORDABLE AND CLEAN ENERGY কিন্তু এই ধারায় তারা solar, wind and thermal এর কথা জোর দিয়েছে, আদতে এটি বাংলাদেশের জন্য গ্রহনযোগ্য কি না? বাংলাদেশ এ এখন সোলার প্যানেল এর ব্যাবসা জমজমাট। কিন্তু এই সোলার প্যানেল স্থানীয় এলাকায় কি পরিমান ক্ষতি করতে পারে সে সম্পর্কে ধারনাই নেই। বড় সোলার প্যানেল গুলি স্থানীয় এলাকার তাপমাত্রা ৩-৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়িয়ে তুলে। এর কারনে ফসলের ক্ষেতের evapotranspiration নষ্ট করে দেয়, ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। কারন সোলার প্যানেল যে পরিমান তাপ শোষণ করে তার যৎসামান্যই বিদুতে রূপান্তর করে বেশিভাগ ই পরিবেশ এ ছড়িয়ে দেয় ফলে বাতাসের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশের মত ঘনবসতি পুর্ন্য এলাকায় বেশি মাত্রায় সোলার প্যানেল বসালে এটি albedo ইফেক্ট তৈরি করবে ফলে সুর্যের আলো প্রতিফলিত করার বদলে শোষণ করবে এবং তাপমাত্রা বাড়িয়ে তুলবে। আর শহর এলাকায় এর প্রভাব হবে মারাত্বক, শহরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেবে অনেক গুন। বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকায় বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ঋন দিচ্ছে। কিন্তু এই ঋন কি উন্নয়নের জন্য নাকি সমস্যা আড়ও বাড়িয়ে তোলার জন্য ? ঢাকার মত উত্তপ্ত শহর কে আরো উত্তপ্ত করতে ? সৌর বিদ্যুৎ মুলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন বা ভারতের মত বড় দেশের জন্য যাদের অনেক বেশি জায়গা বিশেষ করে মরুভূমি বা পতিত জমি আছে তাদের জন্য। আমাদের মত ঘনবসতি পূর্ন্য এলাকা জাতিসংঘের চাপিয়ে দেওয়া নিতি আমাদের দেশের জন্য বস্তাবসম্মত নয়।